


Food Cravings
1 May 2026 আপডেট করা হয়েছে
গর্ভাবস্থায় স্বাস্থ্যকর ডায়েটের প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে বেশি। একটি সুস্থ গর্ভাবস্থার জন্য গর্ভবতী মায়েদের প্রতিদিন প্রায় অতিরিক্ত 300 ক্যালোরি প্রয়োজন। এই ক্যালোরি ফল, সবজি, দানাশস্য ও প্রোটিনের স্বাস্থকর ও সুষম মিশ্রণ থেকে আসা উচিত।
এগুলির মধ্যে ফল গ্লুকোজের মাত্রা ঠিক রেখে এবং মা ও সন্তানকে প্রয়োজনীয় পুষ্টিউপাদান সরবরাহ করে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফল ভিটামিন সি ও ফলিক অ্যাসিডের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস, যা মা ও সন্তান, উভয়েরই প্রয়োজন। স্নায়ুঘটিত টিউবের ত্রুটি আটকানোর জন্য গর্ভবতী মহিলাদের প্রতিদিন কমপক্ষে 70 mg ভিটামিন সি এবং 0.4 mg ফলিক অ্যাসিড প্রয়োজন। ফলে থাকা ফাইবার হজমে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে।
তবে বিভিন্ন কারণে গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন ফল খাওয়া নিরাপদ নয়। অনেক ফল শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে, আবার অনেক ফল প্রয়োজনীয় পুষ্টিউপাদান বের করে দিতে পারে। তাই ফলের বিরূপ প্রভাব এবং সেগুলি খাওয়ার আগে তাঁরা কীভাবে নিজেদের শরীরকে প্রভাবিত করতে পারেন, সে সম্বন্ধে গর্ভবতী মহিলাদের জানা প্রয়োজন। এই নিবন্ধে আমরা এমন কিছু ফলের কথা বলেছি যেগুলি গর্ভাবস্থায় মহিলাদের না খাওয়া উচিত।
গর্ভাবস্থায় পেঁপে খাওয়া উচিত নয়, কারণ এটি শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এতে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ও ভিটামিন থাকলেও ফলের ল্যাটেক্স উপাদান প্রসবের নির্দিষ্ট সময়ের আগেই পেটে টান ধরায়। এমনকি খুব খারাপ পরিস্থিতিতে এটি রক্তপাত বা গর্ভপাতও ঘটাতে পারে এবং কিছু ক্ষেত্রে এটি ভ্রূণের বৃদ্ধিকে প্রভাবিত করে। তাই গর্ভাবস্থায় কাঁচা ও পাকা পেঁপে খাওয়া উচিত নয়।
আনারসে পুষ্টিউপাদান ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকলেও গর্ভবতী মহিলাদের অতিরিক্ত উষ্ণ ফল খাওয়া উচিত নয়। এই ফলে ব্রোমেলিন নামক যে এনজাইমটি থাকে, সেটি প্রোটিনকে ভেঙে দেয় এবং এর ফলে জরায়ুতে অত্যন্ত যন্ত্রণা হতে পারে এবং প্রসব যন্ত্রণাও শুরু হতে পারে। এছাড়া অতিরিক্ত আনারস খেলে ডায়েরিয়া হতে পারে, যার ফলে ডিহাইড্রেশন হতে পারে। তবে, অনেক ডাক্তারের মতে অল্প পরিমাণে আনারস খেলে তা উপকারী হতে পারে। নিরাপত্তার জন্য মহিলারা গর্ভাবস্থায়, বিশেষত প্রথম ট্রাইমেস্টারে এটি খাওয়া এড়িয়ে যান।
গর্ভাবস্থায়, বিশেষত শেষ ট্রাইমেস্টারে আঙুর খেতে বারণ করা হয়, কারণ এটি শরীর গরম করে দেয়। এটি পরিমিত পরিমাণে খেলে তা পুষ্টিকর, কিন্তু বেশিরভাগ গর্ভবতী মায়েরা ঝুঁকি এড়ানোর জন্য তাঁদের ডায়েট থেকে আঙুর বাদ দেন।
গর্ভাবস্থায় বরফে জমানো ফলের বদলে টাটকা ফল খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। বরফে জমানোর কারণে ফলের স্বাদ ও পুষ্টিগুণ কমে যায়। তাই মহিলারা গর্ভাবস্থায় বরফে জমানো বেরি খান না। কিছু ক্ষেত্রে, বরফে জমানো বেরি মা ও সন্তান উভয়ের পক্ষেই ক্ষতিকর হতে পারে।
গর্ভবতী মহিলাদের ক্যানে ভরা খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় না। বিশেষ করে ক্যানে ভরা টমেটোতে প্রিজারভেটিভ থাকার ফলে এগুলি ক্ষতিকর হতে পারে। তাই ক্যানে ভরা টমেটোর তুলনায় টাটকা টমেটো ভাল।
গ্রীষ্মকালে তরমুজ আমাদের প্রিয় ফল। তবে গর্ভাবস্থায় তরমুজ না খাওয়াই ভাল, কারণ এটি শরীরে উৎপন্ন টক্সিন বের করে হাইড্রেট করে; এর ফলে শিশুর শরীরে বিভিন্ন বিষের প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা থাকে। কিছু ক্ষেত্রে এই ফল প্রয়োজনীয় পুষ্টিউপাদানও শরীর থেকে বের করে দিতে পারে। এছাড়া, অতিরক্ত পরিমাণে এই ফল খেলে শরীরে চিনির মাত্রা বাড়তে পারে। তবে, কিছু মানুষ এটি শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য খান।
খেজুর স্বাস্থ্যকর এবং এতে প্রয়োজনীয় পুষ্টিউপাদান, যেমন আয়রন ও অন্যান্য খনিজ থাকে, কিন্তু এটি গর্ভবতী মহিলাদের খাওয়া উচিত নয়। এর অন্যতম প্রধান কারণ হল এটি শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত বাড়াতে পারে; কিছু ক্ষেত্রে খেজুর খেলে জরায়ুতে যন্ত্রণা শুরু হতে পারে। দিনে একটি করে খেজুর খেলে কোনও ক্ষতি হওয়া উচিত নয়, কিন্তু এতে শরীরে কোনও অসুবিধা হচ্ছে কিনা, তা বুঝে তবেই এগোনো উচিত।
এই ফলগুলি এড়িয়ে চললেও গর্ভাবস্থায় খাওয়া যায়, এমন ফলের তালিকা বেশ বড়। ফল আপনাকে হাইড্রেট করে রাখে এবং এতে বহু পুষ্টিউপাদান আছে, যেগুলি মহিলাদের সম্পূর্ণ গর্ভাবস্থায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গর্ভবতী মহিলাদের ডায়েটে যে-ফলগুলি থাকা উচিত, সেগুলি হল কমলালেবু, আম, অ্যাভোকাডো, কলা, আপেল ও আরও অনেক। খাওয়ার আগে ফলগুলি অবশ্যই ভালভাবে ধুয়ে নেবেন এবং ফলে কোনও খারাপ অংশ থাকলে তা বাদ দিয়ে দেবেন, কারণ সেই অংশে ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে।
এছাড়া, আগে থেকে কেটে রাখা ফল না খেয়ে টাটকা কাটা ফল খান। তবে, প্রত্যেকের শরীরের ধরন আলাদা, তাই আপনি কী ধরনের ফল খেতে পারেন, তা জানার জন্য অবশ্যই আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
Q: গর্ভাবস্থায় কাঁচা পেঁপে কেন এড়ানো উচিত?
A: কাঁচা পেঁপেতে Latex ও Papain থাকে — যা জরায়ু সংকোচন ঘটিয়ে গর্ভপাত বা অকাল প্রসব ঘটাতে পারে। পাকা পেঁপে অল্প পরিমাণে নিরাপদ।
Q: আনারস কি গর্ভাবস্থায় খাওয়া যায়?
A: অল্প পরিমাণে নিরাপদ, কিন্তু প্রথম ত্রৈমাসিকে এড়ানো ভাল। এতে Bromelain থাকে যা সার্ভিক্স নরম করতে পারে। প্রচুর খেলে ঝুঁকি বাড়ে।
Q: গর্ভাবস্থায় কোন ফল সবচেয়ে ভাল?
A: আপেল, কলা, কমলা, আম, ডালিম, বেরি, তরমুজ — সব নিরাপদ ও পুষ্টিকর। ফলিক অ্যাসিড, ফাইবার ও Vitamin C প্রচুর থাকে।
Q: ফল কীভাবে ধুয়ে খাবেন?
A: প্রবাহিত পানিতে অন্তত ২০ সেকেন্ড ভাল করে ধুয়ে খান। নরম ব্রাশ দিয়ে ত্বক ঘষুন। অপাকা বা ক্ষতিগ্রস্ত ফল এড়িয়ে চলুন।
Yes
No
Written by
Mylo Care
Happiness starts with you!
Read MoreGet baby's diet chart, and growth tips






মহিলাদের স্তনে ব্যথা: ১২টি কারণ, লক্ষণ ও কখন ডাক্তার দেখাবেন (২০২৬)

গর্ভাবস্থায় নিরাপদ যৌনমিলনের জন্য সেরা ৭টি পজিশন (২০২৬ গাইড)

প্রসব আসন্ন হওয়ার ৫টি প্রধান লক্ষণ ও প্রস্তুতির গাইড (২০২৬)

তলপেটে শিশুর নড়াচড়া কেন অনুভব করছেন? কারণ ও কী বোঝায় (২০২৬)

গর্ভাবস্থায় টমেটো: উপকারিতা, ঝুঁকি ও সঠিক পরিমাণ (২০২৬ পূর্ণ গাইড)

গর্ভাবস্থায় HCG ইনজেকশন: কেন দেওয়া হয়, কারণ ও সুবিধা (২০২৬)

Mylo wins Forbes D2C Disruptor award

Mylo wins The Economic Times Promising Brands 2022
Baby Carrier | Baby Soap | Baby Wipes | Stretch Marks Cream | Baby Cream | Baby Shampoo | Baby Massage Oil | Baby Hair Oil | Stretch Marks Oil | Baby Body Wash | Baby Powder | Baby Lotion | Diaper Rash Cream | Newborn Diapers | Teether | Baby Kajal | Baby Diapers Pants | Cloth Diapers | Laundry Detergent | Lactation Granules |