
আপনার সন্তান প্রাপ্তবয়সে কীভাবে বেড়ে উঠবে ও তার বিকাশ কীরকম হবে, তার উপর লালনপালনের ধরন বিশাল প্রভাব ফেলে। তবে, কিছু ক্ষেত্রে যে-বিষয়টি দেখে বাবা-মাকে খারাপ মনে হয়, অন্য ক্ষেত্রে সেটিই যথাযথ হয়। তাই অভিভাবকত্বের বিভিন্ন ধরন সম্বন্ধে বুঝে ও শিখে নেওয়াই ভাল। অভিভাবকত্ব চার প্রকারের হতে পারে।
এটির প্রত্যক্ষ ও চাহিদাপূর্ণ প্রকৃতির জন্য এটিকে অন্যান্য প্রকারের থেকে সহজেই আলাদা করা যায়। একে কঠোর অভিভাবকত্ব বলা হয়, এবং কর্তৃত্ববাদী অভিভাবকত্বে প্রত্যাশা করা হয় যে সন্তান কোনও পাল্টা প্রশ্ন না করে অনুগত থাকবে। যখন কোনও বিষয়ে প্রশ্ন ওঠে, তখন সেটির “কারণ” ব্যাখ্যা করার বদলে “আমি বলেছি, তাই” বলে সামলানো হয়। এক্ষেত্রে অবাধ্যতাকে কঠোরভাবে শাসন করা হয় এবং শিশু তার নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পায় না ও ভুলগুলি থেকে শিখতে পারে না।
একদিকে শিশু নিয়ম মেনে চলায় দক্ষ হয়ে ওঠে এবং অপরদিকে সামাজিক পরিস্থিতিতে তার সমস্যা হয় ও আত্মমর্যাদা কমে যায়।
কর্তৃত্বপূর্ণ অভিভাবকত্ব কর্তৃত্ববাদীর তুলনায় কিছুটা নম্র, যেখানে বাবা-মা সন্তানদের নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানান এবং নিয়ম ও শাস্তি সম্বন্ধে তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এক্ষেত্রে শিশুদের নিজেদের মতামত আলোচনা করতে দেওয়া হয় এবং বাবা-মা কোনও শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাদের প্রতিটি মতামত বিবেচনা করেন। এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ ও আত্মবিশ্বাসী শিশুদের ক্ষেত্রে একটি কার্যকর লালনপালনের ধরন। তবে, আপনার সন্তানের আচরণগত কোনও সমস্যা থাকলে এই ধরনটি উপযুক্ত নয়।
এই ধরনের লালনপালনে সন্তানের বন্ধু হয়ে ওঠা হয়। বাবা-মা প্রতিক্রিয়াশীল ও স্নেহপূর্ণ হলেও তাঁরা সন্তানদের জন্য কিছু সীমানা তৈরি করেন এবং তাঁদের সন্তানদের কম বকাঝকা করেন। এটি শিথিল প্রকারের অভিভাবকত্ব এবং এখানে শিশুর স্বতন্ত্রতা ও আনন্দকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই ধরনের লালনপালনকারী বাবা-মা তাঁদের সন্তানদের প্রতি সহৃদয় থাকেন এবং নিয়মিত কথাবার্তা বলতে থাকেন। তবে, এই ধরনের লালনপালনে শিশুদের মধ্যে ক্রমশ কর্তব্যের প্রতি অবহেলা তৈরি হতে পারে এবং তাদের যে-কোনও কর্তৃত্বে মানিয়ে নিতে সমস্যা হতে পারে।
এই ধরনটি কর্তৃত্ববাদীর সম্পূর্ণ বিপরীত এবং এতে যে-কোনও স্পষ্ট প্রত্যাশার অভাব থাকে। এই ধরনের বাবা-মায়েরা সন্তানদের মূল চাহিদা, যেমন খাবার, জামাকাপড় ও বাসস্থানের দিকে খেয়াল রাখেন এবং তাঁরা সন্তানের প্রাত্যহিক জীবনে বেশি জড়ান না। এই ধরনটির খারাপ দিকগুলি হল শিশুদের স্ব-নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা কম হতে পারে এবং অন্য কারোর সঙ্গে কথা বলার সময় তার সমস্যা হতে পারে।
প্রত্যেক প্রকারের লালনপালনের ভাল ও খারাপ দিক রয়েছে এবং এই প্রভাব শিশুর ব্যক্তিত্ব অনুযায়ী আলাদা হতে পারে। আপনি লালনপালনের মূল বোধ তৈরি করে ফেললে আপনার মূল কাজ হবে আপনার ও আপনার সন্তানের জন্য লালনপালনের সর্বোত্তম সংমিশ্রণ খুঁজে নেওয়া।
Yes
No



















amr report ta ki thik ase?
amr report ta ki thik ase?
নয় সপ্তাহে এ কৌষটি কাঠিন হলে করণীয় কি
৯ মাসে কি বাচ্চা কম নড়াছড়া করে? জেনে থাকলে জানাবেন plz...
অবশেষে ছেলে সন্তানের মা হলাম
Your body needs extra nutrition this trimester - these can help.
This content is for informational purposes only and should not replace professional medical advice. Consult with a physician or other health care professional if you have any concerns or questions about your health. If you rely on the information provided here, you do so solely at your own risk.

Mylo wins Forbes D2C Disruptor award

Mylo wins The Economic Times Promising Brands 2022
Baby Carrier | Baby Soap | Baby Wipes | Stretch Marks Cream | Baby Cream | Baby Shampoo | Baby Massage Oil | Baby Hair Oil | Stretch Marks Oil | Baby Body Wash | Baby Powder | Baby Lotion | Diaper Rash Cream | Newborn Diapers | Teether | Baby Kajal | Baby Diapers Pants | Cloth Diapers | Laundry Detergent | Lactation Granules |